USA news 24/7
Stay Ahead with the Latest in Business

বাড়ি কিনতে ঋণের সীমা এখন দ্বিগুণ

0

গৃহঋণ নীতিমালা সহজ ও যুগোপযোগী করে নতুন সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকভেদে গৃহঋণে খেলাপির হার অনুযায়ী একজন গ্রাহক এখন সর্বোচ্চ ২ থেকে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। আগের সার্কুলার বাতিল করে জারিকৃত এই নীতিমালা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে, যা নির্মাণব্যয় বৃদ্ধির চাপের মাঝে সম্ভাব্য গৃহমালিকদের জন্য স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা জারি করেছে।

নতুন নিয়মে গ্রাহক সর্বোচ্চ কত গৃহঋণ পাবেন, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের গৃহঋণে খেলাপি ঋণের হারের ওপর। ভালো অবস্থানে থাকা ব্যাংকগুলো এখন বাড়ি কিনতে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।

 

এ বিষয়ে আগের যেসব সার্কুলার ছিল সেগুলো বাতিল করে এই নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নতুন নিয়মটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকের গৃহঋণে খেলাপি ঋণ পাঁচ শতাংশ বা তার কম হলে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ চার কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। খেলাপি ঋণ পাঁচ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশের মধ্যে হলে সর্বোচ্চ ঋণসীমা হবে ৩ কোটি টাকা। আর খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের বেশি হলে সর্বোচ্চ দুই কোটি টাকা পর্যন্ত গৃহঋণ দেওয়া যাবে।

নীতিতে বলা হয়, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মোট মূল্যের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ ব্যাংক ঋণ হিসেবে দেওয়া যাবে। বাকি অন্তত ৩০ শতাংশ অর্থ গ্রাহককে নিজে দিতে হবে। পাশাপাশি ঋণ দেওয়ার আগে ব্যাংককে নিশ্চিত হতে হবে যে, গ্রাহকের পর্যাপ্ত আয় আছে এবং তিনি নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক আবাসন ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঋণ-ইক্যুইটি অনুপাত ৭০:৩০ অপরিবর্তিত রেখেছে। পাশাপাশি, ব্যাংকগুলোকে কঠোরভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে-ঋণগ্রহীতার অবশ্যই নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত নিট নগদ আয় থাকতে হবে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এ নীতিমালা ২০০৪ ও ২০১৯ সালে জারিকৃত পূর্ববর্তী নির্দেশনাগুলোকে প্রতিস্থাপন করবে। তবে আবাসন ঋণের সীমা সংশোধন করা হলেও ভোক্তা ঋণসংক্রান্ত অন্যান্য বিদ্যমান নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় চাপের মুখে থাকা সম্ভাব্য গৃহমালিকরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণের হার কম রাখতে এ নীতিগত পরিবর্তন ব্যাংকগুলোকেও উৎসাহিত করবে।

করপোরেটনিউজ২৪/ এইচএইচ

Leave A Reply

Your email address will not be published.

google-site-verification=1ANNK1RMHaj1Iw7yR8eRAr3R5K-aLbxTqN87o-pnte8 google-site-verification: google05340dd170c353ef.html