EMail: corporatenews100@gmail.com
দিনাজপুর : হিলি স্থলবন্দর দিয়ে নতুন শুল্কায়নে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা, যার ফলে শিগগিরই পেঁয়াজের দাম কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিলি সি অ্যান্ড এফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান মঙ্গলবার(১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ৪টি ট্রাকে ১২৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে।
ভারতে পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটি ১৩ সেপ্টেম্বর রপ্তানিতে শুল্ক ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ এবং রপ্তানিমূল্য টনপ্রতি ৫৫০ মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ৪০৫ ডলার নির্ধারণ করে। তবে বিজ্ঞপ্তিটি কাস্টমস সার্ভারে সংযুক্ত না হওয়ায় ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। গতকাল বিজ্ঞপ্তি সার্ভারে সংযুক্ত হওয়ায় পেঁয়াজ আমদানি পুনরায় শুরু হয়েছে, যার ফলে বাজারে পেঁয়াজের দাম দ্রুত কমার আশা করা হচ্ছে।
এর আগে, ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ভারত অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে। মার্চ মাসে নিষেধাজ্ঞা দ্বিতীয়বারের মতো অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়, যা দেশে পেঁয়াজ সংকট তৈরি করে এবং এর দাম বাড়তে থাকে। অবশেষে, ৪ মে ভারত ৫৫০ মার্কিন ডলার রপ্তানিমূল্য এবং ৪০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম শহিদ আশা প্রকাশ করেছেন যে নতুন নিয়মের মাধ্যমে শুল্ক ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমে আসবে, ফলে বাজারে পেঁয়াজের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। উদ্ভিদ বিভাগের উপসহকারী কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী জানান, নতুন শর্তে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমদানিতে আগ্রহী হচ্ছেন এবং ইতোমধ্যে আরও ৪ জন ব্যবসায়ী এলসি খুলেছেন। এসব পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করলে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
কনি/জুবায়ের