EMail: corporatenews100@gmail.com
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীরা আবারও ঝুঁকিহীন সম্পদের দিকে ঝুঁকছেন। বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক পতন এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হওয়ায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা গেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যার দিকে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় আড়াই শতাংশের বেশি বেড়ে প্রতি আউন্স প্রায় ৪ হাজার ৮৯৪ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিল মাসের ডেলিভারির জন্য গোল্ড ফিউচারসের দামও ঊর্ধ্বমুখী ছিল, যা প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯১৪ ডলারের কাছাকাছি লেনদেন হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণ ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। ফলে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ছে, আর তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দামে।
অন্যদিকে মূল্যবান ধাতুর বাজারে রুপার দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা গেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম একদিনেই চার শতাংশের বেশি বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৪ ডলারের ওপরে উঠেছে। তবে সাপ্তাহিক হিসাবে রুপার বাজারে বড় পতনের ধাক্কা এখনো কাটেনি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি গত এক দশকের মধ্যে রুপার অন্যতম অস্থির সময়।
প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়াম বাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। প্লাটিনামের দাম বেড়ে প্রতি আউন্স প্রায় ২ হাজার ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং প্যালাডিয়ামের দরও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্ববাজারের এই ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। বর্তমানে বাংলাদেশে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ লাখ ৫৪ হাজার টাকায়। পাশাপাশি ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও উচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে।
করপোরেট নিউজ ২৪, এসি