EMail: corporatenews100@gmail.com
ঢাকা: আন্তর্জাতিক যাত্রী ও পণ্য পরিবহন সেবার বিপরীতে বিদেশে অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় নতুন সমন্বিত নীতিমালা জারি করেছে Bangladesh Bank।
বৃহস্পতিবার জারি করা এক সার্কুলারে আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন, বিদেশি এয়ারলাইন্স, শিপিং কোম্পানি এবং টিকিট ও চার্জ সংগ্রহসংক্রান্ত কার্গো সেবার বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে অভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবহন খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত নিয়ন্ত্রক কাঠামো চালু করা হয়েছে। এর ফলে প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমবে, বিধি পরিপালন সহজ হবে এবং আলাদা আলাদা নির্দেশনার কারণে সৃষ্টি হওয়া অস্পষ্টতা দূর হবে।
সার্কুলারে বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ও আউটওয়ার্ড রেমিট্যান্স কার্যক্রম পরিচালিত হবে ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ কন্ট্রোল অ্যাক্ট, ১৯৪৭’ এবং সংশ্লিষ্ট সার্কুলারের আওতায়। তবে কার্যক্রম সহজ করতে পরিবহন খাতসংশ্লিষ্ট আগের সব নির্দেশনা একত্র করে একটি সমন্বিত নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু বিধান সংশোধনও করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ফরেন এক্সচেঞ্জ কন্ট্রোল অ্যাক্টের ২০(৩) ধারার আওতায় এ সার্কুলার জারি করা হয়েছে। জারির তারিখ থেকে এটি এক বছর কার্যকর থাকবে। এ সময়ের মধ্যে নতুন কোনো নির্দেশনা জারি হলে সেটিও এই কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে বিবেচনা করা হবে।
নতুন নির্দেশনায় আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন ও কার্গো সেবার টিকিট ইস্যু, ফ্রেইট চার্জ সংগ্রহ, বিদেশি এয়ারলাইন্স ও শিপিং কোম্পানির বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান Bangladesh Shipping Corporation ও Biman Bangladesh Airlines-এর লেনদেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া বেসরকারি শিপিং কোম্পানি, এয়ারলাইন্স, কুরিয়ার সার্ভিস ও ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারদের জন্য পৃথক নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
শিপিং কোম্পানি, এয়ারলাইন্স ও ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং এজেন্সিগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার বিধানও এতে যুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক কার্যক্রম পরিচালনাকারী বাংলাদেশি পরিবহন কোম্পানির নামে পরিচালিত বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবও নতুন নীতিমালার আওতায় আনা হয়েছে।
সার্কুলারে ট্যুর অপারেটরদের জন্যও হালনাগাদ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, দ্রুত সম্প্রসারিত সেবা খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, নতুন সমন্বিত কাঠামোর ফলে পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে আউটওয়ার্ড রেমিট্যান্স প্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা পরিপালন নিশ্চিত করাও সহজ হবে।
করপোরেট নিউজ২৪/ এইচএইচ