EMail: corporatenews100@gmail.com
আগামী জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিল চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কাগজভিত্তিক পুরোনো ভ্যাট রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার সময়সীমা ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
মূল সিদ্ধান্তগুলো
১. সময় বাড়ানো হয়েছে: হার্ড কপি ভ্যাট রিটার্ন ই-ভ্যাটে এন্ট্রির শেষ সময় এখন ৩০ জুন ২০২৬।
২. নতুন সাব-মডিউল: ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মে ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি সাব-মডিউল চালু হয়েছে।
৩. পূর্বের নির্দেশনা: ৫ জানুয়ারি পরিপত্র জারি করে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল।
৪. কেন সময় বাড়ানো হলো: এখনও অনেক কাগজভিত্তিক রিটার্ন অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এর অর্থ কী?
যেসব প্রতিষ্ঠান এখনও পুরোনো ভ্যাট রিটার্ন ই-ভ্যাটে আপলোড করেনি, তাদের দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে। কারণ জুলাই থেকে অনলাইন রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সময়সীমা না মানলে কী হবে?
এনবিআর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন এন্ট্রি না করলে:
১. ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ক্লোজিং ব্যালেন্স ফ্রিজ করা হবে।
২. ভবিষ্যতে ওই স্থিতির বিপরীতে কোনো সমন্বয় করা যাবে না।
৩. অনলাইন সিস্টেমে সব রিটার্ন না থাকলে ভ্যাট রিফান্ড আবেদনও করা যাবে না।
এখন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কী করা উচিত?
১. ই-ভ্যাট পোর্টালে লগইন করুন।
২. ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ মডিউলে পুরোনো মাসিক রিটার্নগুলো যুক্ত করুন।
৩. সব রিটার্ন আপলোড হয়েছে কি না যাচাই করুন।
৪. ভবিষ্যৎ অনলাইন রিটার্ন দাখিলের জন্য তথ্য ও নথি ডিজিটালভাবে প্রস্তুত রাখুন।
এনবিআরের লক্ষ্য
এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজস্ব ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রূপান্তর নিশ্চিত করতে চায় এনবিআর। করদাতাদের সহযোগিতাও কামনা করেছে সংস্থাটি।
গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা
| বিষয় | সময়সীমা |
|---|---|
| হার্ড কপি রিটার্ন ই-ভ্যাটে এন্ট্রির নতুন শেষ সময় | ৩০ জুন ২০২৬ |
| অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন বাধ্যতামূলক হওয়ার পরিকল্পিত সময় | জুলাই ২০২৬ |
এখনই রিটার্ন আপডেট সম্পন্ন করলে ভবিষ্যতের ভ্যাট রিফান্ড ও সমন্বয় প্রক্রিয়ায় জটিলতা এড়ানো যাবে।
করপোরেট নিউজ২৪/এইচ এইচ