Corporate & Business News Bangladesh
Corporate Bangladesh Corporate Bangladesh Corporate News Bangladesh Company News CEO Interview Business Leadership

৯ জুন ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। টানা দুই দফা মূল্য সমন্বয়ের পর ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সবশেষ প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা দাম কমিয়েছে।

গত শনিবার (৬ জুন) বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে। সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া এ দরেই আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২ জুনও স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছিল। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৭১ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ বার দাম বেড়েছে এবং ৩৪ বার কমেছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য প্রকাশের আগে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) নিউইয়র্ক সময় সকাল ১১টা পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,২৯৮.৭৫ ডলারে নেমে আসে। দিনের শুরুতে এ দাম ১ শতাংশেরও বেশি কমেছিল। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচার্সের দাম ০.৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৩২৩.৯০ ডলারে দাঁড়ায়।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান আরজেও ফিউচার্সের সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট বব হ্যাবারকর্ন বলেন, মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি বাজারে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ বিক্রির প্রবণতা বাড়ায় স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হলে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে স্বর্ণের দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের নজর বুধবারের কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) এবং বৃহস্পতিবারের প্রোডিউসার প্রাইস ইনডেক্স (পিপিআই) প্রতিবেদনের দিকে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত পাওয়া যাবে।

সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, বাজারে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রায় ৭০ শতাংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এই সংস্করণটি সংবাদপত্র বা অনলাইন নিউজ পোর্টালের জন্য উপযোগী করে সাজানো হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.