EMail: corporatenews100@gmail.com
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবার প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।
দুর্নীতি-লুটপাটে সব প্রতিষ্ঠান অকার্যকর
বাজেট বক্তব্যে বলা হয়, ফ্যাসিবাদী সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্যবহার করে অর্থনীতিতে সীমাহীন দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাট করেছে। এর মাধ্যমে সব প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ও ধ্বংস করা হয়েছে। তথাকথিত উন্নয়নের স্লোগান দিয়ে লুটপাট ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে অর্থনীতির মূলভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছে।
বাজেটে বলা হয়, বিএনপি সরকার গঠনের ১০ দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সংকট শুরু হয়। যা অর্থনীতিতে আকস্মিকভাবে ঝুঁকি তৈরি করে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, এলএনজি ও সারের দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়ে যায়। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ, কৃষি পরিবহন ও শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতি ও ভর্তুকির চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমদানি ব্যয় বাড়ার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ পড়েছে।
ঋণ স্থিতিশীলতায় ঝুঁকি
বাজেটে বলা হয়েছে দেশের ঋণ স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে ঝুকির সৃষ্টি হয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে দুর্নীতি সংশ্লিষ্ট ও অপরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণ এবং সেসব প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করায় দেশের ঋণ স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ ক্ষেত্রে দেশ বর্তমানে মধ্যম মানের ঝুকিতে রয়েছে। সরকার এ খাতে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়ে আগামীতে নিম্ন মানের ঋণ ঝুঁকিতে ফিরে আসার পরিকল্পনা করেছে।