EMail: corporatenews100@gmail.com
দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। জরুরি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দেড় লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল এবং ২৫ হাজার টন অকটেন আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে, যা পরিচালিত হয় অর্থ মন্ত্রণালয়-এর তত্ত্বাবধানে।
বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব
বর্তমান জ্বালানি সংকটের পেছনে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বড় ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি-তে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে।
এর ফলে বাংলাদেশেও আমদানি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং বাজারে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
বাস্তব চিত্র: পাম্পে দীর্ঘ লাইন
দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেট্রল পাম্পগুলোতে গত এক মাসের বেশি সময় ধরে—
- দীর্ঘ লাইন
- সরবরাহ সংকট
- ভোক্তাদের ভোগান্তি
এসব দৃশ্য এখন নিয়মিত হয়ে উঠেছে।
বাড়ানো হয়েছে জ্বালানির দাম
সংকট সামাল দিতে সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দামও বাড়ানো হয়েছে—
- ডিজেল: ১১৫ টাকা (প্রতি লিটার)
- অকটেন: ১৪০ টাকা
- পেট্রল: ১৩৫ টাকা
- কেরোসিন: ১৩০ টাকা
সামনে কী হতে পারে?
সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন এই আমদানির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে—
- সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে
- পাম্পের ভিড় কমতে পারে
- পরিবহন খাতে চাপ কিছুটা হ্রাস পাবে
বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব এড়ানো কঠিন হলেও সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন আমদানি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কত দ্রুত হয়, সেটিই নির্ধারণ করবে দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি কতটা স্থিতিশীল হবে।