EMail: corporatenews100@gmail.com
ট্রাম্পের মন্তব্যে ভারত–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে উত্তেজনা
‘নরক’ মন্তব্য ঘিরে কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ভারত–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট শেয়ার করে তিনি ভারতকে ‘নরক’ বলে উল্লেখ করেছেন—যা দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর চাপ তৈরি করেছে।
কী বলেছেন ট্রাম্প?
ট্রাম্প জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (birthright citizenship) বাতিলের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে দাবি করেন, ভারত ও চীনের মতো দেশ থেকে আসা অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দিয়ে নাগরিকত্ব সুবিধা নিচ্ছে এবং পরে পুরো পরিবারকে সেখানে নিয়ে আসছে।
এছাড়া প্রযুক্তিখাতে কর্মরত ভারতীয়দের নিয়েও সমালোচনামূলক ও অবমাননাকর মন্তব্য করা হয় সেই পোস্টে।
ভারতের প্রতিক্রিয়া
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Randhir Jaiswal এক বিবৃতিতে বলেন:
- এই মন্তব্য ভুল তথ্যনির্ভর
- এটি অনুপযুক্ত ও কুরুচিপূর্ণ
- দুই দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে, যা এই বক্তব্য প্রতিফলিত করে না
মার্কিন আইনপ্রণেতাদের প্রতিক্রিয়া
ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেস সদস্য Ami Bera ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেন:
- অভিবাসীদের সংগ্রাম সম্পর্কে ট্রাম্পের ধারণা নেই
- এই বক্তব্য ‘অজ্ঞতা’ এবং প্রেসিডেন্ট পদকে ছোট করে
এছাড়া Raja Krishnamoorthi এই ঘটনাকে “দুর্ভাগ্যজনক” আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবনী শক্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
কূটনৈতিক প্রভাব কী হতে পারে?
বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন:
- মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio–এর ভারত সফর সামনে
- দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যে গভীর অংশীদারিত্ব চলছে
সম্ভাব্য প্রভাব:
- H-1B ভিসা নীতিতে চাপ
- দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনায় অস্বস্তি
- “America First” নীতির কারণে কূটনৈতিক দূরত্ব বাড়ার আশঙ্কা
বড় ছবিটা কী?
গত দুই দশকে India এবং United States–এর সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে। তবে এই ধরনের মন্তব্য সেই সম্পর্কের ওপর সাময়িক হলেও চাপ তৈরি করতে পারে।