EMail: corporatenews100@gmail.com
এলপিজি অটোগ্যাসের তীব্র সংকটে দেশ
দেশজুড়ে এলপিজি অটোগ্যাসের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করায় প্রায় সব অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে অটোগ্যাসচালিত যানবাহনের ওপর, ফলে চালক ও যানবাহন মালিকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত ‘পরিবহন খাতে এলপিজি সংকটের বিরূপ প্রভাব’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. সিরাজুল মাওলা।
তিনি জানান, দেশে প্রতি মাসে এলপিজির মোট চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টন। এর মধ্যে আনুমানিক ১০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ১৫ হাজার টন এলপিজি অটোগ্যাস হিসেবে পরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। তবে বর্তমানে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় অটোগ্যাস খাত মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সারা দেশে প্রায় এক হাজারের মতো এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এসব স্টেশন বন্ধ থাকায় উদ্যোক্তারা কর্মীদের বেতন পরিশোধ, ব্যাংক ঋণের কিস্তি দেওয়া এবং দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এর ফলে অনেক ব্যবসায়ী আর্থিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।
অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে দ্রুত এলপিজি আমদানি স্বাভাবিক করা, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, চাহিদা অনুযায়ী অটোগ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে একটি কার্যকর ও টেকসই নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।
করপোরেটনিউজ২৪/ এমএসি